Saturday 04 Apr 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

রাবিতে সিনেট কার্যকরসহ নানা পরিকল্পনার কথা জানাল রুয়া

রাবি করেসপন্ডেন্ট
৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:২৭ | আপডেট: ৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:২৮

সংবাদ সম্মেলন কথা বলছেন রুয়ার সভাপতি রফিকুল ইসলাম খান।

রাবি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সিনেট কার্যকর করা, শিক্ষার্থীদের জন্য দ্রুত বৃত্তি চালু এবং বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (রুয়া)।

শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জুবেরী ভবনে রুয়া’র এক সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংগঠনটির সভাপতি ও সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম খান।

সংবাদ সম্মেলনে রুয়া’র সভাপতি বলেন, ‘গত ফ্যাসিবাদী আমল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট কোনো কাজ করছে না। অথচ সিনেট বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অন্যতম প্রধান অর্গান। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছি এবং আমরাও সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, অবিলম্বে সিনেট কার্যকর করতে হবে।’

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি রিউনিয়ন ও এজিএম করা। এজন্য আমরা আজকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ২ অক্টোবর রি-ইউনিয়ন হবে এবং ৩ অক্টোবর এজিএম হবে।’

রুয়ার পক্ষ থেকে আরও দাবি জানানো হয়েছে, হলগুলোর রিডিং রুমে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) স্থাপন এবং সংগঠনের নিজস্ব ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা আরও দাবি জানিয়েছি যে প্রত্যেকটি হলে যেন রিডিং রুমগুলোতে এসি দেওয়া হয়। ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনার জন্য এটি একটি খুবই প্রয়োজনীয় জিনিস। আমরা অতি তাড়াতাড়ি রুয়ার ভবন নির্মাণ করব। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানিয়েছি, অতি দ্রুত এক থেকে দুই মাসের মধ্যে রুয়ার ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করে দেব।’

শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা ছাত্রছাত্রীদের জন্য শুরুতেই একটা বৃত্তির কথা বলেছিলাম। আমরা আজকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এই বৃত্তির ব্যবস্থাটা অতি দ্রুত শুরু করব। আমরা আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী প্রতি মাসে প্রতি বিভাগের একজন মেয়ে এবং একজন ছেলেকে দুই হাজার টাকা করে বৃত্তির ব্যবস্থা করব।’

ক্যাম্পাসে ‘ই কার’ চালু নিয়েও সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা ক্যাম্পাসে এর আগে ‘এ-কার’ চালু করেছিলাম। কিছু যান্ত্রিক ক্রুটির কারণে সে ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে। ক্যাম্পাসের রাস্তাঘাট তেমন একটা ভালো ছিল না এবং এটা মেইন্টেনেন্স না করার কারণে যান্ত্রিক ক্রুটিতে পড়তে হয়েছে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কিছু ই কার কিনে বিশ্ববিদ্যালয়কে দিয়ে দেব। আগের মতোই চলবে, কিন্তু এর ব্যবস্থাপনায় থাকবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আশাবাদ ব্যক্ত করছি, খুবই স্বল্প সময়ের মধ্যে আমাদের এই সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন হবে।’

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম, উপউপাচার্য (প্রশাসন) মো. মাঈন উদ্দিন, উপউপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মোহা. ফরিদ উদ্দিন খান, রুয়ার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. নিজাম উদ্দিন এবং রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদসহ সংগঠনটির অন্যান্য সদস্যরা।

সারাবাংলা/এআর