ঢাকা: চট্টগ্রাম হালিশহরে বিস্ফোরণে একই পরিবারের নারী ও শিশুসহ দগ্ধ নয়জনের মধ্যে স্বামী সামির আহমেদ সুমনের (৪০) পর স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি (৩৫) মারা গেলেন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল চার। এর আগে সকালে মারা যায় শাওন (১৬)। আর সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) মারা যান শাওনের মা নুরজাহান আক্তার রানী (৪০)।
মঙ্গলবার (২৪ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১১টার দিকে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন পাখির মৃত্যু হয়। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান। তিনি জানান, পাখির শতভাগ দগ্ধ হয়েছিল। সেইসঙ্গে শ্বাসনালীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
তিনি জানান, বর্তমানে মো. সাখাওয়াত হোসেন ১০০ শতাংশ, তার মেয়ে উম্মে আয়মান স্নিগ্ধা ৩৮ শতাংশ, আয়েশা ৪৫ শতাংশ, ফারহান আহমেদ আনাস ৩০ শতাংশ এবং শিপন ৮০শতাংস দগ্ধ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক।
এর আগে ২৩ ফেব্রুয়ারি ভোরে হালিশহরের বাসায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওইদিন সন্ধ্যার দিকে তাদের বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসে স্বজনরা।