যশোর: যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে সমস্ত বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও স্বস্তি ফিরবে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যশোরে আগমন কেন্দ্র করে বিভিন্ন প্রকল্পে উদ্বোধনীস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এই কথা বলেন।
জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক সংকট নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বৈশ্বিক সংকটের আঁচ বাংলাদেশে লাগলেও সরকার জনগণের ভোগান্তি কমাতে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। বর্তমানে ইরি সেচ মৌসুম চলায় কৃষকদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কৃষকরা যাতে কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে লক্ষ্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে।
জ্বালানি নিয়ে অস্থিরতায় বিপিসিকে স্থানীয় জেলা প্রশাসনকে সমান্বয় করে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রনালয়ও প্রতিদিন তাদের কার্যক্রম ফলোআপ করছে।
যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণকাজ পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যশোরে আগমন কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়। এর মাধ্যমে যশোরের উন্নয়নের চাকা নতুন করে সচল হবে।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী অমিত আরও বলেন, পিতা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে খনন করা উলাশী খাল পুনঃখননের জন্য আগামী ২৭ তারিখ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যশোরে আসছেন। যেটা যশোরবাসীর জন্য অনেক বড় সুসংবাদ। তিনি যশোর বিমানবন্দর থেকে সরাসরি উলাশী খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করবেন। এরপর সেখান থেকে ফিরে মাতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাতে তৈরি যশোর মেডিকেল কলেজের ৫০০ শয্যা হাসপাতালের উদ্বোধন করবেন। এরপর সময় সাপেক্ষে প্রধানমন্ত্রী যশোর পাবলিক পরিদর্শন করবেন। পরে তিনি জনসভা যোগ দেবেন। জনসভা শেষে প্রধানমন্ত্রী যশোর ত্যাগ করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষ্যে আজ কালেক্টর সভা কক্ষে দফতর প্রধানদের সভা করেন। সভায় স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সদস্যরাও ছিলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেরুল হক সাবু , সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ বিভিন্ন সরকারি দফতরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় রাজনীতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই আগমনকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও যশোরবাসীর ভিতরে বিরাজ করেছে উচ্ছ্বাস উদ্দীপনা। স্থানীয়রা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে যশোরবাসীর দীর্ঘদিনের যে স্বপ্ন সেই ৫০০ শয্যা মেডিকেল কলেজ বাস্তবায়ন হবে। একই সঙ্গে উন্নয়ন বঞ্চিত যে খরা সেটিও কাটবে বলে আশাবাদী তারা