গাইবান্ধা: গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে ওসিসহ পুলিশ সদস্যদের মারধরের মামলায় প্রধান আসামিসহ আরও দুই জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ।
রোববার (৫ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের দীঘলকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধার পুলিশ সুপার (এসপি) জসিম উদ্দীন।
গ্রেফতাররা হলেন, মামলার প্রধান আসামি পলাশবাড়ী উপজেলা যুব জামায়াতের বায়তুল মাল সেক্রেটারি পলাশ আহমেদ (৩৫) এবং উপজেলা জামায়াতের রুকন গোলজার রহমান (৩৪)।
এর আগে, একই মামলায় পলাশবাড়ী পৌর জামায়াতের ২ নম্বর ওয়ার্ড সেক্রেটারি তৌহিদুল ইসলাম কানন এবং পৌর জামায়াতের সাবেক আমির ও উপজেলা পেশাজীবী বিভাগের সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান মিজানকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলা যুব জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পলাশসহ কয়েকজন বিবদমান একটি দোকানের বিষয়ে অভিযোগপত্র নিয়ে পলাশবাড়ী থানায় যান। এ নিয়ে কথাবার্তার একপর্যায়ে তর্ক-বিতর্ক হয়। পরে জামায়াত নেতা পলাশ থানার ওসিকে শহরের কালিবাড়ী বাজারে সরকারিভাবে বরাদ্দকরা ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করতে বলেন এবং চাপ প্রয়োগ করেন। বিষয়টি ইউএনও-এসিল্যান্ডের এখতিয়ারভুক্ত, ওসি এটা বন্ধ করতে পারবেন না জানালে ওই নেতা ও তার সঙ্গীরা ওসির ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে ওসিকে মারধর করা হয়। এসময় উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা বাধা দিতে গেলে তাদেরও মারধর করা হয়, এতে এক নারী কনস্টেবলসহ পুলিশের আট সদস্য আহত হন। এ ঘটনার পরদিন পলাশকে প্রধান করে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশ।
এ বিষয়ে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার (এসপি) জসিম উদ্দীন বলেন, বাকি আসামিদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।