যশোর: যশোরের কেশবপুর উপজেলার হিজলডাঙ্গা গ্রামে আসামি গ্রেফতারের সময় হামলায় পুলিশের এক এসআইসহ দুই কনস্টেবল আহত হয়েছেন। মাইকে ঘোষণা দিয়ে গ্রামবাসী সংঘবদ্ধ হয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে ওই আসামিকে ছিনিয়ে নেয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) রাত দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ওই আসামিকে আবার গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসমত আলীর নেতৃত্বে একদল পুলিশ গতকাল (বুধবার) রাত দেড়টার দিকে হিজলডাঙ্গা গ্রামে আসামি ধরতে যায়। এ গ্রামের আমিনুদ্দিনের ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেনকে (৩৫) বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে এলাকার লোকজন ওই আসামিকে ছিনিয়ে নেয়। এ সময় তাদের হামলায় কেশবপুর থানার এসআই আসমত আলী (৫৪), কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম (৩৫) ও হাবিবুল্লাহ (৩০) আহত হন। শহিদুলকে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য দু’জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেন।
কনস্টেবল শহিদুল জানান, তিনি যখন আসামিকে ধরে রাখার চেষ্টা করেন, তখন তাকে বুকে আঘাত করা হয় এবং তার হাতের একটি আঙুলও আঘাতপ্রাপ্ত হয়। লোকজন তার কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নেয়।
কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, ‘আসামি গ্রেফতার করার পর মসজিদে মাইকিং করে মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হয়। বলা হয়, ওই আসামিকে পুলিশ পিটিয়ে মেরে ফেলেছে। এ খবর শুনে এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে সেই আসামিকে ছিনিয়ে নেয়। জাহাঙ্গীর হোসেন তিনটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। পরে আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সীমান্ত এলাকা থেকে ওই আসামিকে গ্রেফতার করেছে।’