জন্মদিন— অনেকের কাছে আনন্দের, কিছু মানুষের কাছে ভাবনার দিন। আর তেমনই বিশেষ দিনটি উদযাপন করলেন সিসিমপুরের সুমনা চরিত্রে দেশজুড়ে খ্যাতি পাওয়া অভিনেত্রী রুনা খান। আজ ১৯৮৩ সালের ১১ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া এই অভিনেত্রী তার জন্মদিনে পেলেন প্রচলিত কেকের বদলে গুড়ের সন্দেশ!
টাঙাইলের এই মেয়ে পরিবারের সঙ্গে কাটালেন জন্মদিনের প্রথম প্রহর। সারাদিনের শুটিং শেষে বাড়ি ফিরতেই তাকে স্বামী ও কন্যা এক চমক দিয়েছেন। মেয়ে আগে থেকেই অর্ডার করা মিষ্টি উপহার দিলেন, যা রুনার প্রিয়। আর স্বামীর কাছ থেকে এবারও পেলেন একটি সুসজ্জিত জামদানি শাড়ি, যা তার জন্মদিনকে আরও বিশেষ করে তুলেছে।
রুনা জন্মদিনকে শুধুই একটি দিন হিসেবে দেখেন। গণমাধ্যমে তিনি বলেন, ‘জন্মদিনও অন্য দিনের মতো একটি দিন। তবে জন্ম সার্থক হবে যদি আমার বিশ্বাস ও নৈতিকতা বজায় রেখে অর্থবহ কিছু করতে পারি।’
নিজের ব্যক্তিজীবন নিয়েও তিনি কৃতজ্ঞ। রুনা বলেন, ‘প্রকৃতি, সৃষ্টিকর্তা, পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা। তারা আমাকে ভালোবাসা ও সম্মানের মধ্যে রাখে। এজন্য আমার মানব জন্মই আমার কাছে একটি আশীর্বাদ।’
অভিনয় নিয়ে তার ব্যস্ততা কমেনি। ছোট ও বড় পর্দায় সমানভাবে প্রতিভা দেখিয়ে চলেছেন রুনা। তার জনপ্রিয় সিনেমার মধ্যে আছে ছিটকিনি, হালদা, গহীন বালুচর, নীলপদ্ম। আর ছোটপর্দায় তিনি দর্শকদের মুগ্ধ করেছেন ‘ফ্যামিলি ক্রাইসিস’, ‘কষ্টনীড়’, ‘আন্তঃনগর’, ‘অসময়’সহ আরও অনেক ধারাবাহিকে।
বর্তমানে তার হাতে রয়েছে ‘রক্তছায়া’, ‘চলচ্চিত্র: দ্য সিনেমা’, ‘স্বপ্ন’, ‘নিদ্রাসূর’, ‘বালুঘড়ি’, ‘উনাদিত্য’— যার শুটিংয়ে তিনি ব্যস্ত সময় পার করছেন।
রুনা খানের জন্মদিন উদযাপনের গল্প আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, আনন্দ কোনো বড় আয়োজনে নয়, ছোট ছোট মুহূর্তে, প্রিয়জনদের সঙ্গে ভাগ করে নিলে সত্যিই মধুর হয়ে ওঠে। কেকের বদলে গুড়ের সন্দেশ, শাড়ির উপহার— ছোটখাটো এই মুহূর্তগুলোই জীবনের আনন্দকে করে তোলে বিশেষ।