প্রাইভেটকারে গুলি করে জোড়া খুন
ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা
১ এপ্রিল ২০২৫ ২২:৪২ | আপডেট: ২ এপ্রিল ২০২৫ ১৬:০৩
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম নগরীতে প্রাইভেটকারকে ধাওয়া করে গুলি করে দুজনকে খুনের ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। এতে কারাবন্দী শীর্ষ সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রীসহ সাতজনকে আসামি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নগরীর বাকলিয়া থানায় মামলাটি দায়ের হয়েছে। বাকলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন সারাবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলায় সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। গত ১৫ মার্চ ঢাকার বসুন্ধরা থেকে সাজ্জাদকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
মামলায় অন্য আসামিরা হলেন- সাজ্জাদের স্ত্রী শারমিন আক্তার তামান্না (৩৭), মোহাম্মদ হাছান (৩৬), মোবারক হোসেন ইমন (২২), খোরশেদ (৪৫), রায়হান (৩৫) ও বোরহান (২৭)।
ওসি ইখতিয়ার উদ্দিন সারাবাংলাকে জানান, হত্যাকাণ্ডের শিকার বখতেয়ার উদ্দিন মানিকের মা ফিরোজা বেগম বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রীর পরিকল্পনা অনুসারে আসামিরা গুলি করে মানিকসহ দু’জনকে হত্যা করেছে।
গত রোববার (৩০ মার্চ) গভীর রাতে নগরীর বাকলিয়া থানার রাজাখালী এলাকা থেকে একাধিক মোটরসাইকেলে থাকা সন্ত্রাসীরা প্রাইভেটকারকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে। প্রাইভেটকারটি বাকলিয়া এক্সেস রোড দিয়ে প্রবেশ করে নগরীর চকবাজার থানার চন্দনপুরায় পৌঁছানের পর থেমে যায়। তখন বেপরোয়াভাবে গুলিবর্ষণ করে সন্ত্রাসীরা। এতে দু’জন নিহত ও দু’জন আহত হন।
নিতরা হলেন- বখতেয়ার হোসেন মানিক ও মো. আব্দুল্লাহ। তাদের বয়স ৩০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। আহতরা হলেন- রবিন ও হৃদয়।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মো. রবিন জানান, প্রাইভেটকারে চালক ছিলেন মানিক। কারের মালিক আবদুল্লাহ। কারে চালক মানিকের পাশে ছিলেন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত সরোয়ার হোসেন বাবলা। পেছনের সিটে আবদুল্লাহ, রবিন, হৃদয় ও ইমন ছিলেন।
রবিনের অভিযোগ, প্রতিদ্বন্দ্বী সরোয়ার ছোট সাজ্জাদকে পুলিশের কাছে ধরিয়ে দেন বলে তার সন্দেহ ছিল। এজন্য সরোয়ারকে টার্গেট করে ছোট সাজ্জাদের অনুসারী সন্ত্রাসীরা কারে গুলিবর্ষণ করে। তবে সরোয়ার প্রাণে বেঁচে যান।
উল্লেখ্য, ছোট সাজ্জাদ ও সরোয়ার হোসেন বাবলার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্যের বিরোধ চলছে। সেই বিরোধে এর আগেও হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
সারাবাংলা/আরডি/পিটিএম